সিলেট টেস্টে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে ২- ব্যবধানে সিরিজ জিতে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করলো বাংলাদেশ। রিজোয়ানের লড়াই থামিয়ে বাংলাদেশকে ৭৮ রানের জয় এনে দেওয়ার কারিগড় ৬ উইকেট শিকার করা তাইজুল। তবে ম্যাচসেরা হয়েছেন ১২৬ ও ৬৯ রানের ইনিংস খেলা লিটন দাস। ২৫৩ রান করে সিরিজ সেরা হয়েছেন মুশফিকুর রহিম।
এর আগে সিলেটে ২য় টেস্টে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে মাত্র ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। শেষ ভরসা হিসেবে লিটন দাস মিরাজ-শরিফুলদের নিয়ে লড়াই করে দূর্দান্ত শতক করেন। টেস্ট ক্যারিয়ারের ৬ষ্ঠ শতক করে ১২৬ রানে ফিরেন লিটন, তাইজুল ১৬ রান করেন, শরিফুল ১২ রানে অপরাজিত থাকেন। অলআউট হওয়ার আগে ২৭৮ রান করে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের পক্ষে মোহাম্মদ আব্বাস ৩, খুররাম শেহজাদ ৪ ও হাসান আলী ২ উইকেট শিকার করেন।
নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে তাইজুল নাহিদদের বোলিং তোপে পড়ে ২৩২ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। পাকিস্তানের পক্ষে বাবর আজম ৬৮ রান করেন ও সাজিদ খান ২৮ বলে ৩৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। বাংলাদেশের পক্ষে ৩টি করে উইকেট শিকার করেন তাইজুল ইসলাম ও নাহিদ রানা। ২টি করে উইকেট শিকার করেন মিরাজ ও তাসকিন।
৪৬ রানের লিড নিয়ে ২য় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে মুশফিকের ১৩৭, লিটনের ৬৯, জয়ের ৫২ ও মোমিনুলের ৩০ রানের সুবাদে অলআউট হওয়ার আগে ৩৯০ রান করে বাংলাদেশ। ফলে পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৩৭ রানের।
৪৩৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পরলেও আগা সালমান ও রিজোয়ানের ব্যাটে জয়ের স্বপ্ন দেখে পাকিস্তান। আগা ৭১ রান করে আউট হলেও আজ ৪র্থ দিনেও লড়াই করেন রিজোয়ান। শরিফুলের বলে আউটের আগে ৯৩ রান করে শতক বঞ্চিত হয়েছেন। ৩৫৮ রানে অলআউট হয়ে ৭৮ রানে হেরে হোয়াইটওয়াশ হলো পাকিস্তান। এর আগে নিজেদের মাটিতেও বাংলাদেশের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল পাক বাহিনী।
