সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
Logo
×

ছাত্রদলের বিরুদ্ধে ডাকসু নেতাদের মামলা নেয়নি শাহবাগ থানা

প্রথম সমাচার ডেস্ক ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন

রাজধানীর শাহবাগ থানার ভেতরে হামলার শিকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ ও সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়েরের মামলা নেয়নি পুলিশ বলে জানিয়েছেন ডাকসু নেতারা।

রোববার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করতে গেলে মামলা না নিয়ে অভিযোগ গ্রহণ করে পুলিশ।

গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাতে শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করা নিয়ে উত্তেজনায় জড়ায় ঢাবি ছাত্রদল ও ডাকসু নেতারা। একপর্যায়ে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিককে মারধর করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে হামলার ফুটেজসহ শাহবাগ থানায় মামলা করতে যান ডাকসু নেতারা।

ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, আমরা মামলা করার জন্য শাহবাগ থানায় গিয়েছিলাম। এক ধরনের গড়িমসি লক্ষ্য করছি। তারা বললেন, তদন্ত করে পরে জানাবেন মামলা কখন নেবেন। আবার বললেন, ওপরে আলোচনা না করে কিছু করতে পারবেন না। শুধু অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, একসময় ফ্যাসিস্ট হাসিনা ওয়াজেদের নির্দেশে ‍পুলিশ ছাত্রলীগের সোনার ছেলেদের অপকর্মের বিরুদ্ধে মামলা করতে গেলে ভিক্টিমদের সঙ্গে টালবাহানা করতো এবং মামলা নেওয়া হতো না। এখন কার নির্দেশে এ ধরনের গড়িমসি করা হচ্ছে এই প্রশ্নের উত্তর আমরা জানতে চাই।

ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের বলেন, অনেক মিডিয়া দেখছি এ ঘটনাকে ছাত্রদল-শিবিরের মধ্যকার সংঘর্ষ হিসেবে ফ্রেমিং করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু আমরা থানায় গেছিলাম ডাকসুর প্রতিনিধি হিসেবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র মামলা দিতে এসে আমাদের কাছ থেকে সাহায্য চেয়েছেন তাই আমরা গিয়েছিলাম। এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমাদের কাছে স্পষ্ট প্রমাণ আছে কারা কারা হামলায় জড়িত ছিল। তারপরও পুলিশ মামলা নিচ্ছে না।

জুবায়ের বলেন, আমরা পুলিশকে বলেছি থানার ভেতরে হামলা হয়েছে, ভাঙচুর হয়েছে এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করবে কি না? তখন একজন পুলিশ অফিসার হেসে বলছেন, কোথায় ভাঙচুর হয়েছে আমি জানি না। দেখেন কত অন্ধভাবে দলকানার পরিচয় দিচ্ছে। আমরা মনে করি হামলাকারীদের বাঁচাতে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। সবকিছুর প্রমাণ থাকার পরেও তারা টালবাহানা শুরু করেছে। কার ইশারায় সেটাও আমরা জানতে চাই। আমরা তাদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।

মামলা করতে যাওয়া ডাকসু প্রতিনিধিদলের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর ক্যারিয়ার উন্নয়ন সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক আরমানুল ইসলাম, কমনরুম পাঠকক্ষ ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে সালমা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ইকবাল হায়দারসহ প্রমুখ।

শেয়ার করুন:
লিঙ্ক কপি হয়েছে
Loading
আরও নিউজ লোড হচ্ছে...