আইনমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের (জামায়াতে ইসলামী) পূর্বসূরিরা মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের বিরোধিতা করেনি, সেটা বলার নৈতিক জায়গা আর জামায়াতের নাই। কারণ এই সংসদে আমরা ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল সংশোধন আইন-২০২৬’ পাস করেছি। সেখানে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা দেওয়া আছে। আইনটির ধারা ২ এর উপধারা ১০ এ বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালে যারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, তাদের এ দেশীয় দোসর, আল বদর, আল শামস, রাজাকার, তৎকালীন রাজনৈতিক দল মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলামী পার্টি, জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে যারাই বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিল, তারাই মুক্তিযোদ্ধা।’
তিনি আরও বলেন, ‘তার মানে দাঁড়ায় তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করছিল। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। আমরা যখন বিলটি সংসদে আনলাম, জামায়াতে ইসলামীও সেটির বিরোধিতা করেনি। তারা সংসদে চুপ করে ছিল। তার মানে দাঁড়ায়, মৌনতাই সম্মতির লক্ষণ।’
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নে যা যা করার দরকার, বিএনপি তাই করবে। তবে গণভোটের একটা অংশে প্রতারণা আছে, আমরা সেটির সঙ্গে নেই।’
অন্যদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) লিখিতভাবে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল সংশোধন বিলের পক্ষে তাদের অবস্থান জানিয়েছে।
