আইসিসি ওমেন’স চ্যাম্পিয়নশিপের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পাকিস্তান নারী দল সহজেই জিম্বাবুয়ে নারী দলকে ১৬৮ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে পাকিস্তান নারী দল। পাকিস্তানের করা ৩৩০ রানের পাহাড়সম লক্ষ্যের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি সফরকারীরা। ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ৯৮ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা খেলোয়াড় (প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ) নির্বাচিত হয়েছেন পাকিস্তানের ওপেনার সদাফ শামস।
ম্যাচের শুরুতে টস জিতে জিম্বাবুয়ে নারী দল প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে তাদের এই সিদ্ধান্ত বুমেরাং হয়ে দাঁড়ায় যখন পাকিস্তানের দুই ওপেনার সদাফ শামস ও গুল ফিরোজা উদ্বোধনী জুটিতেই ১৬২ রান যোগ করেন। গুল ফিরোজা ৬০ বলে ৫০ রান করে আউট হলেও সদাফ শামস ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়ে ৯৮ রানে (১৩০ বল) সাজঘরে ফেরেন। পাকিস্তান নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৩৩০ রানের বিশাল স্কোর গড়ে।
পাকিস্তানের ইনিংসের শেষ দিকে টর্নেডো ব্যাটিং করেন উইকেটকিপার ব্যাটার নাজিহা আলভি। তিনি মাত্র ২৪ বলে পাকিস্তানের ওমেন’স ওয়ানডে ইতিহাসে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড গড়েন এবং শেষ পর্যন্ত ৩০ বলে অপরাজিত ৫৬ রান করেন। তাকে সঙ্গ দেন অধিনায়ক ফাতিমা সানা (৩ বলে ১১*)। সিদ্রা আমিনও দলের বড় সংগ্রহে ৪৪ বলে ৬৭ রানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে প্রেশাস মারাঙ্গে ৩৯ রানে ৩টি উইকেট নেন।
৩৩১ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায়। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে তারা ৩৬.৪ ওভারে মাত্র ১৬২ রানেই অল-আউট হয়ে যায়। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৩ রান করেন বিলোভড বিজা। এছাড়া কেলিস এনডলোভু ৩১ রান করলেও অন্য কোনো ব্যাটার পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে টিকতে পারেননি।
পাকিস্তানের বোলাররা সম্মিলিতভাবে জিম্বাবুয়েকে ধসিয়ে দেন। অধিনায়ক ফাতিমা সানা ৫ ওভারে ২৮ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। এছাড়া তাসমিয়া রুবাব ও সৈয়দা আরুব শাহ ২টি করে উইকেট শিকার করেন। মোমিনা রিয়াসত ও নাশরা সান্ধু ১টি করে উইকেট নিয়ে দলের বিশাল জয় নিশ্চিত করেন।
