দেশের ১৩তম নগর সংস্থা হিসেবে যাত্রা আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেল বগুড়া সিটি কর্পোরেশন।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) বৈঠকে বগুড়াকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করা হয়। এ সময় আরও নতুন পাঁটি উপজেলার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
এর মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠার প্রায় দেড়শ বছর পর বগুড়া পৌরসভা সিটি কর্পোরেশনের মর্যাদা পেল। গত ২০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের ফলক উন্মোচন করেন।
ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৭৬ সালের ১ জুলাই বগুড়া পৌরসভার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। উত্তরাঞ্চলের পুরনো পৌরসভার মধ্যে এটি অন্যতম। এ পৌরসভার অধীনে ২১টি ওয়ার্ড ছিল। ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বগুড়া পৌরসভার জনসংখ্যা প্রায় ৪ লাখ।
২০০৬ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের আমলে বগুড়া পৌরসভার চারপাশের ৪৮টি মৌজা অন্তর্ভুক্ত করে এর আয়তন ৬৯ দশমিক ৫৬ বর্গ কিলোমিটারে উন্নীত করা হয়। তখন সংস্থাটি ১২টি ওয়ার্ড থেকে ২১টি ওয়ার্ডে উন্নীত হয়।
সে সময় এ পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছিল। তবে গত দুই দশকে তা আর আলোর মুখ দেখেনি।
বিগত সময়ে আওয়ামী লীগ সরকার রংপুর, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করে। কিন্তু বগুড়া দেশের সর্ববৃহৎ পৌরসভা হলেও তা পৌরসভা হিসেবেই থেকে যায়।
উল্লেখ্য, আগে থেকে থাকা ১২টি সিটি কর্পোরেশন হচ্ছে— ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর, গাজীপুর ও ময়মনসিংহ।
