প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের জনগণ সরকারের ওপর যে দায়িত্ব অর্পণ করেছে, তা হলো বাংলাদেশের স্বার্থ সংরক্ষণ করা। মালয়েশিয়া ও চীন সফরের প্রতিটি আলোচনায় তিনি দেশের স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।
শনিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন (বাজেট অধিবেশন)-এর ১৬তম কার্যদিবসে তাঁর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফরের সাফল্যের জন্য উত্থাপিত ধন্যবাদ প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হওয়ার পর তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ সফরে ব্যক্তিগত কোনো অর্জনের বিষয় ছিল না। যদি কোনো ইতিবাচক ফলাফল অর্জিত হয়ে থাকে, তবে তা বাংলাদেশের এবং দেশের মানুষের অর্জন। তিনি বলেন, সরকার সবসময় জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখেই আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে।
সকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। এতে গত ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীনে ছয় দিনের সরকারি সফরের সফল সমাপ্তির জন্য জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে তাঁকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানানো হয়।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, সংসদের এই শুভেচ্ছা ও সমর্থন তাঁকে আরও দায়িত্বশীলভাবে দেশের জন্য কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে। তিনি দলের বহুল ব্যবহৃত স্লোগান ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ উল্লেখ করে বলেন, সরকারের প্রতিটি সিদ্ধান্তের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দেশের স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণ।
প্রধানমন্ত্রী এ সময় সরকারি ও বিরোধী—উভয় পক্ষের সংসদ সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। বিশেষ করে বিরোধীদলীয় নেতার গঠনমূলক সহযোগিতা ও দেশের স্বার্থে কাজ করার আহ্বানকে তিনি ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন।
এর আগে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধানমন্ত্রীর সফল রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে এ বিষয়ে আলোচনা শেষে কণ্ঠভোটে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
