যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতা নতুন গতি পেয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে তেহরানে কাতারি প্রতিনিধি দলের উপস্থিতিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
কাতার ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক আবদুল্লাহ বান্দর আল-এতাইবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, চলমান পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে এখনো বেশ কিছু জটিল প্রশ্নের সমাধান প্রয়োজন।
তার মতে, প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানর পাশাপাশি কাতারর সম্পৃক্ততা কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করতে পারে। কারণ এখনো হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সীমা এবং উত্তেজনা প্রশমনে কার্যকর গ্যারান্টির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে স্পষ্ট সমাধান আসেনি।
আল-এতাইবি বলেন, কাতারের ভূমিকা পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকে প্রতিস্থাপন করার জন্য নয়; বরং পারস্পরিক আস্থার পরিধি বাড়ানো এবং যোগাযোগের পথ খোলা রাখার সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করার জন্য।
তিনি সতর্ক করে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক। একদিকে একটি প্রাথমিক সমঝোতা সব পক্ষকে রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য পথ তৈরি করে দিতে পারে, অন্যদিকে আলোচনা ব্যর্থ হলে তা নতুন করে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক সংকট এবং হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কূটনীতি এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা
