বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
Logo
×

৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়টি আপাতত স্থগিত রাখার পথেই হাঁটছে সরকার

প্রথম সমাচার ডেস্ক ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৮ অপরাহ্ন

​সম্প্রতি ঢাকা সফরকালে আইএমএফের এশীয় অঞ্চলের প্রধান কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে এক বৈঠকে বলেন— বৈশ্বিক সংকটের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার যে প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে, তা বাংলাদেশের মতো উদীয়মান অর্থনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

এমন অবস্থায় সরকারি খাতে বেতন-ভাতা বাড়ানো (পে-স্কেল) হলে দেশের বিশাল বেসরকারি খাতের সঙ্গে একটি অর্থনৈতিক ভারসাম্যহীনতা তৈরি হতে পারে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

​বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকারও ইতোমধ্যে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। পে-স্কেলের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্ধারিত প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা বর্তমানে জ্বালানি ও বিভিন্ন ভর্তুকি খাতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর সাথে ক্রমবর্ধমান রাজস্ব ঘাটতি এবং ব্যাংক খাতের ঋণের বোঝা বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকারের আর্থিক সক্ষমতাও সংকুচিত হয়ে পড়েছে।

তাই তাড়াহুড়ো না করে সরকার বর্তমানে ‘ধীরে চলো’ নীতি অনুসরণ করছে। অর্থনীতিবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী, নতুন কোনো বেতন কাঠামো ঘোষণার আগে সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থা পর্যালোচনার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কমিশন গঠন করা হতে পারে। সব মিলিয়ে আইএমএফের পর্যবেক্ষণ ও দেশের বিদ্যমান আর্থিক সংকট বিবেচনায় নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়টি আপাতত স্থগিত রাখার পথেই হাঁটছে সরকার।

শেয়ার করুন:
লিঙ্ক কপি হয়েছে
Loading
আরও নিউজ লোড হচ্ছে...