আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ২ টেস্ট সিরিজে সুযোগ করে নিয়ে বাজিমাত করেছিলেন স্পিনার হাসান। সিনিয়র তাইজুলের সাথে পাল্লা দিয়ে উইকেট শিকার করেছিলেন ২ ম্যাচে ১২টি। ইনিংসে ৫ উইকেট না পেলেও ৪ উইকেট পেয়েছেন ২ বার। ২ টেস্টেই ৬টি করে উইকেট শিকার করেন।
আয়ারল্যান্ডের সাথে এতো ভালো বোলিং করার পরের সিরিজটায় কোন যদি কিন্তু ছাড়াই থাকার মতো যোগ্য ছিলে হাসান মুরাদ কিন্তু তাকে রাখা হয়নি পাকিস্তানের বিপক্ষে হোম সিরিজের দলেই। মুরাদের পরিবর্তে নেয়া হয়েছে নাইম হাসানকে। নাইমও যোগ্য এবং অবহেলিতও বলা যায়, তারপরও মুরাদের সুযোগ না পাওয়াটা তাঁর জন্য হতাশার। কারন পারফর্ম করায় পরবর্তী সিরিজে সুযোগের আশা স্বাভাবিক ছিল।
মুরাদ কিন্তু মিরাজ বা তাইজুলের পরিবর্তে সুযো পায়নি যে, তারা ফেরায় মুরাদ বাদ। নাইমের পরিবর্তে বা পেস বোলার কম খেলানোয় মুরাদের সুযো হয়েছিল কিন্তু এখন রাখা হয়নি, যদিও মুরাদের সামনে অনেক সময় আছে, সুযোগ আসবেই। বয়স তো মাত্র ২৪।
২০২০ সালে যুব বিশ্বকাপ জেতা এই স্পিনার সেই বিশ্বকাপে খুব বেশি সুযোগ পাননি। এরপর ঘরোয়া ক্রিকেটে আলো ছড়ানো পারফর্ম করে জাতীয় দলে এসে পারফর্ম করেও বাদ পরলেন। উল্লেখ্য, হাসান মুরাদ ৪৩ প্রথম শ্রেণীর ম্যাচ খেলে ১৮৪ উইকেট শিকার করেছেন। ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়েছেন ১৪ বার, ৪ উইকেট নিয়েছেন ৮ বার, ইনিংসে সেরা বোলিং ৮/১১৯।
হাসান মুরাদের জন্য শুভ কামনা। সুযোগ আসবেই পারফর্ম করতে পারলে। পাকিস্তানের বিপক্ষে সুযোগ পাওয়া সবার জন্য শুভ কামনা। পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করা পারফর্ম দেখতে চাই। তাদের দেশে ২-০ জেতা সম্ভব হলে, দেশের মাটিতে অবশ্যই সম্ভব।
