নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকাবাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ও জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) টি-টোয়েন্টি সংস্করণে দুর্নীতির অভিযোগে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বেটিং ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় একজন ক্রিকেটারসহ মোট চারজনকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া একজনকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করেছে দেশের সর্বোচ্চ ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
বিসিবির দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের (এসিইউ) তদন্তে অভিযুক্ত হওয়া এই ব্যক্তিরা হলেন— ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার, সিলেট টাইটানসের ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম রয়্যালসের লজিস্টিকস ম্যানেজার লাবলুর রহমান এবং নোয়াখালী এক্সপ্রেসের কো-অনার তৌহিদুল হক।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রিকেটার অমিত মজুমদারের বিরুদ্ধে সরাসরি জুয়া বা বেটিংয়ে অংশ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, রেজওয়ান কবিরের বিরুদ্ধে বেটিং সংশ্লিষ্টতা এবং বাকি দুজনের বিরুদ্ধে তদন্তে অসহযোগিতা ও তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এর পাশাপাশি সামিনুর রহমান নামে একজনকে ‘এক্সক্লুডেড পারসন’ হিসেবে ঘোষণা করে ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট সব কর্মকাণ্ড থেকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বিসিবি জানিয়েছে, স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং ক্রিকেটের মর্যাদা রক্ষায় তারা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ হওয়া চারজনকে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ১৪ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে স্থায়ী ও কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে।এই ঘটনার ফলে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্নীতির বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে, যা নিয়ে ক্রিকেট মহলে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা।
