তুরস্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সরকারি গবেষণা সহায়তা প্রতিষ্ঠান টুবিটাক (TÜBİTAK) এর অধীনে পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের গবেষণা প্রজেক্ট প্রোগ্রাম “2209-A Üniversite Öğrencileri Araştırma Projeleri Destekleme Programı”-এ গৃহীত হয়েছে বাংলাদেশি শিক্ষক ও গবেষক সৈয়দ রাশেদ হাসান চৌধুরীর একটি গবেষণা প্রকল্প।
তিনি বর্তমানে তুরস্কের বারটিন বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি ফ্যাকাল্টিতে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যুক্ত রয়েছেন। গবেষণা প্রকল্পটিতে উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।
গবেষণা প্রকল্পটির শিরোনাম হলো— “Tasavvufta Aile ve Nesil Eğitimi: Anne-Çocuk İlişkisinde Manevi Aktarım”। বাংলায় যার অর্থ, “তাসাউফে পরিবার ও প্রজন্ম শিক্ষা: মা-সন্তান সম্পর্কের মধ্যে আধ্যাত্মিক সঞ্চার”।
TÜBİTAK-এর 2209-A প্রোগ্রাম তুরস্ক সরকারের একটি মর্যাদাপূর্ণ গবেষণা সহায়তা কর্মসূচি। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের গবেষণা, একাডেমিক চিন্তাচর্চা এবং বৈজ্ঞানিক কার্যক্রমে উৎসাহ দিতে স্কলারশিপ ও গবেষণা সহায়তা প্রদান করা হয়। বিশেষ করে তরুণ গবেষকদের গবেষণামুখী করে গড়ে তোলা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গবেষণার সংস্কৃতি শক্তিশালী করাই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।
গবেষণা প্রকল্পটি অনুমোদনের খবর জানিয়ে সৈয়দ রাশেদ হাসান চৌধুরী সামাজিক মাধ্যমে বলেন, বারটিন বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি ফ্যাকাল্টির অধীনে এই গবেষণায় উপদেষ্টা হিসেবে থাকতে পেরে তিনি আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ। একই সঙ্গে তিনি সবার কাছে দোয়া কামনা করেন, যেন গবেষণাটি কল্যাণময় ও উপকারী জ্ঞানে পরিণত হয় এবং ভবিষ্যতে আরও বড় একাডেমিক কাজের ভিত্তি হিসেবে ভূমিকা রাখে।
তুরস্কে বাংলাদেশি গবেষক ও শিক্ষকদের একাডেমিক সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এই অর্জন নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
