রোববার, ২৪ মে ২০২৬
Logo
×
ধর্ষ/ণের পর গলা কে/টে মাথা থেকে আলাদা করা হয়

আট বছরের শিশু রামিসা হত্যা: দেশজুড়ে ক্ষোভ, দ্রুত বিচারের দাবি

প্রথম সমাচার ডেস্ক ২০ মে ২০২৬, ০১:২৬ অপরাহ্ন

স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল দুই বোন। প্রতিদিনের মতো সেদিনও বড় বোনের সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল আট বছর বয়সী রামিসার। কিন্তু সকাল গড়ালেও তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা প্রথমে আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পাশের একটি ফ্ল্যাটের দরজার সামনে রামিসার একটি জুতা পড়ে থাকতে দেখে সন্দেহের সৃষ্টি হয়।

পরিবারের দাবি, বারবার দরজায় কড়া নাড়লেও ভেতর থেকে কেউ দরজা খুলছিল না। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। দীর্ঘ চেষ্টার পর দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পুলিশ রক্তাক্ত একটি বিভীষিকাময় দৃশ্য দেখতে পায়।

পুলিশ জানায়, খাটের নিচ থেকে মাথাবিহীন এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বাথরুম থেকে উদ্ধার করা হয় বিচ্ছিন্ন মাথা। ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, শিশুটিকে পাশের বাসায় নিয়ে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়। পরে পরিচয় গোপনের উদ্দেশ্যে মরদেহ বিকৃত করার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, অভিযুক্ত জাকির পেশায় রিকশা মেকানিক এবং তার বিরুদ্ধে আগেও অপরাধমূলক অভিযোগ ছিল। ঘটনার পর থেকে এলাকায় চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

রামিসা স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পরিবার ও প্রতিবেশীরা জানায়, সে ছিল অত্যন্ত হাসিখুশি ও মেধাবী শিশু। তার নির্মম মৃত্যুর ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

মানবাধিকারকর্মী ও সচেতন নাগরিকরা বলছেন, শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হওয়ায় অপরাধীরা বারবার পার পেয়ে যাচ্ছে। তারা এ ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন:
লিঙ্ক কপি হয়েছে
Loading
আরও নিউজ লোড হচ্ছে...