শহীদ ওসমান হাদির বীরত্বগাথা জীবনী জাতীয় শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত রাখার দাবি জানিয়েছেন তার বোন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাঠ্যপুস্তকে ওসমান হাদির জীবনী অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আলোচনা দেখে তিনি এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
এক বিবৃতিতে তিনি জানান, ভাইয়ের শাহাদাতের পর থেকেই রাষ্ট্রের কাছে তার বীরত্বপূর্ণ জীবনকাহিনি পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়ে আসছেন। তিনি বলেন, নতুন সরকারের উদ্যোগে পঞ্চম শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বইয়ে শহীদ ওসমান হাদির জীবনী যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, যা তিনি স্বাগত জানিয়েছিলেন।
তবে তার মতে, ওসমান হাদি কেবল শিশুদের নয়, বরং সব বয়সী মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার প্রতীক। তাই তার জীবন ও আত্মত্যাগের ইতিহাস শুধু একটি শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যায় পর্যন্ত পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
তিনি অভিযোগ করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন কিছু তথ্য প্রচারিত হচ্ছে, যেখানে শহীদ ওসমান হাদির জীবনী পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত না করার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। বিষয়টি সত্য হলে তা অত্যন্ত হতাশাজনক হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা জাতীয় দায়িত্ব। তাই শহীদ ওসমান হাদির বীরত্বগাথা জীবনী পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত বহাল রেখে তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার এ বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়ে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাবে।
