ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্পর্ক নতুন করে চাপের মুখে পড়েছে। এর প্রভাবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে ইসরায়েলের আগের মতো ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আর থাকছে না—এমন আশঙ্কা দেশটির রাজনৈতিক মহলে বাড়ছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম পলিটিকোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির কারণে মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রাধিকার বদলাচ্ছে। ফলে ইসরায়েলকে আগের মতো নিঃশর্ত সমর্থন দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
এদিকে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সম্প্রতি মন্তব্য করেন, ইসরায়েলের “প্রায় কোনো বন্ধুই অবশিষ্ট নেই” এবং দেশটির উচিত তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিত্রকে দূরে ঠেলে না দেওয়া।
মার্কিন প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা এই মন্তব্যকে ব্যক্তিগত মত নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে বৃহত্তর পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মতে, এই অবস্থান দুই দেশের সম্পর্কের অবনতির স্পষ্ট বার্তা বহন করছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, আগামী অক্টোবরে অনুষ্ঠিতব্য ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আর হোয়াইট হাউসের নিঃশর্ত সমর্থনের ওপর আগের মতো নির্ভর করতে পারছেন না।
